মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ডিজিটাল উদ্যোক্তা সম্মেলন-২০১৪

তীরহারা এ ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে - ১

ডিজিটাল বাংলাদেশ। স্বপ্ন পূরণের অভিযাত্রায় ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র নামে এক খেয়া তরীর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর। ৪ বছরের যাত্রাপালায় অনেক চড়াই উৎরায় পেরিয়ে আজ সে খেয়াতরী ডিজিটাল সেন্টার নামে রণতরীতে পরিণত হয়েছে। অপটু হাতে যেসব নবীন মাঝি সেদিন হাল ধরে ছিল তাদের অনেকেই আজ দক্ষ সারেং। বৈশাখী রুদ্রঝড় তরীর মাস্তুলে আঘাত হেনেছে, পাল ছিড়েঁছে, টালমাটাল করেছে তবু ডুবিয়ে দিতে পারে নি তরী। খেয়া পাড়ে নিতে মাঝিমাল্লাদের দৃঢ়পণ ছিল অটুট। যতই ঝড় উঠুক সাগরে, তীর হারা এ ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে। ধীরে ধীরে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নীল বন্দরে নোঙর ফেলতে এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল সেন্টার নামের রণতরীটি। ঝঞ্জাক্ষুব্ধ যাত্রাপথে যে সব নবীন মাঝি শক্ত হাতে নায়ের হাল ধরে আজ সফলতার বন্দরে ভীড়ছেন তাদের নিয়েই লেখার অনুচেষ্টা।
প্রথমদিককার যাত্রা পথ এখনকার মত ছিল না। কবি জসিম উদ্দিনের অমর কবিতা কবরের দুটি লাইন যেন কালত্তীর্ণ হয়ে হয়ে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের জন্য লিখিত হয়েছিল। বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না আদর করিত না মোটে, হাতে তে না মারিত তারে শত মারিত ঠোঁটে। ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করতে গিয়ে এই ঠোঁটের আঘাত খায়নি এমন কোন উদ্যোক্তা বিরল প্রজাতির।উদ্যোক্তাদের জীবন তখন মেহেদী পাতার মত। বাইরেরটা সবুজ হলেও ভেতরেরটা লাল। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ অথচ হাসিমুখে সেবা দিতে নিবেদিত প্রাণের কত না অবমাননা। তারপরও থেমে থাকেনি অগ্রগতির যাত্রা। যেন এ কথা প্রমান করতে আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠি, এত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি না,তবু জেনো মুখে আমার উসখুস করছে বারুদ-বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস। কবি সুকান্তের চেতনায় ঠিকই তারা জ্বলে উঠেছে সময় মত।
একজন করে সফল উদ্যোক্তার সফলতার পিছনে সুখ দু:খের অনুভূতি উঠিয়ে আনতে প্রতিদিন এ ধারাবহিক পর্ব তীরহারা এ ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে । সুপ্রিয় পাঠক চোখ রাখুন ইনফরমেশন এন্ড সার্ভিস সেন্টার বাংলাদেশ পেইজে।